ssc scam : এস এস সি দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়- বাগ কমিটির রিপোর্টে কি আছে ? Bag Committee Report in SSC Scam

Bag Committee Report in SSC Scam
Bag Committee Report in SSC Scam

এস এস সি দুর্নীতি মামলায় বাগ কমিটির রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগ ও তাঁর কমিটি একটি রিপোর্ট তৈরী করেছেন। এই রিপোর্ট ssc scam এর সমস্ত পর্দা ফাঁস করে দিলো।

আপনারা জানেন আনেক্সচার সমেত বাগ কমিটির রিপোর্টটি দেড় হাজার পাতার কিন্তু প্রথম সত্তর পাতা যদি কেউ একটু পড়েন , তিনি ছত্রে ছত্রে চমকে উঠবেন।

নতুন প্যানেল আপডেট করার আগে এসএসসি পরীক্ষার্থীর একাধিক প্রার্থীর রেঙ্ক পাল্টে গেলো ।

যে কোনো পাঠক বলবেন যে হুবহু অঙ্কিতা অধিকারী শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীপরেশ অধিকারীর এর মেয়ে বলে তার রেঙ্ক এই ভাবেই পাল্টে গেছিলো । অথচ সচিব বলছেন যে তিনি মনে করতে পারছেন না। তাহলে কি পুনর্মূল্যায়ন হয়েছে ও তাই রেঙ্ক পাল্টে গেলো ?

দু’টো এজেন্সী যারা পুনর্মূল্যায়ন করতে পারবে তারা বলছেন কোনো পুনর্মূল্যায়ন হয় নি । এই রকম নয় যে কোনো ছাত্র পুনর্মূলায়ন এর আবেদন জানালো নম্বর পাল্টালো তাই রেঙ্ক পাল্টে গেলো। এরপরে একটাই প্রশ্ন পাঠকের মনে থাকবে যে কোন ম্যাজিকে রেঙ্কটা পাল্টে গেলো ?- কার আঙ্গুলের খোঁচায় ? কার নির্দেশে? কার দুর্নীতিতে ?

আমরা জেনেনেবো এ বিষিয়ে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় কি বললেন। তাঁর মতে হাই কোর্টের অর্ডারে যখন প্যানেল পাবলিক ডোমেইন এ প্রকাশিত করতে বলা হলো , তখন তারা এই কাজটি করতে বেশ খানিকটা সময় নষ্ট করল। কেন এমনটা করলো তারা ?

সম্ভবত যাতে পুরো বিষয়টা ঠান্ডা হতে সময় পাওয়া যায় ও কিছুটা তথ্য পাল্টানোর সময় তারা পান সেই জন্যই এই পাবলিক ডোমেইন-এ প্রকাশ করতে এতটা সময় নেওয়া হয়।

তাহলে ফলাফল কি ? অনেক চাকরিপ্রার্থী ব্যক্তি যারা সরকারি চাকরিটা পেলেন তাও আবার সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায়।

SSC Scam এর বাগ কমিটির রিপোর্টে স্বাক্ষর নিয়ে একটি বড় রকম দুর্নীতি সামনে আসছে। এতজন যাদের নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভ্যাস পাওয়া যাচ্ছে তাদের নিয়োগপত্রে হাতের সাক্ষর নেই , আছে স্ক্যান করা স্বাক্ষর। কিভাবে এলো এই স্বাক্ষর ? কে করলো ? মানে ভুতে নিশ্চই করেনি এই স্ক্যান স্বাক্ষর !

SSC SCAM: বাগ কমিটির রিপোর্টে কি আছে । Bag Committee Report in SSC Scam

কলকাতা হাই কোর্ট এর গ্রুপ সি মামলায় (Kolkata high court group C recruitment Scam) প্রকাশিত বাগ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের পর ৩৮১ জনকে ssc অফিস থেকেই সুপারিশ পত্র দেওয়া হয়েছিল।

এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে এই ৩৮১ জনের মধ্যে ২২২ জন এর নাম ওয়েটিং লিস্টেই ছিল না। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় পাশও করেন নি। এরা কেউ পার্সোনালিটি টেস্ট-এ অংশগ্রহণ করেন নি।

এদের দেওয়া চাকরির সুপারিশপত্র স্ক্যান করা সই ব্যবহার করা হয়েছে। এই কর্মকান্ডে যুক্ত ছিলেন S. P. Sinha ও Soumitra Sorkar

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here